আয়কর রিটার্ন ২০২৬: কারা দেবেন, দেরি হলে বাড়তি কর কত এবং ভুল সংশোধনের নিয়ম

Finance

আয়কর রিটার্ন ২০২৬: কারা দেবেন, দেরি হলে বাড়তি কর কত এবং ভুল সংশোধনের নিয়ম

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় কে রিটার্ন দেবেন, কখন দিতে হবে, কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন এবং ভুল হলে কীভাবে তা ঠিক করা যায়—এসব বিষয়ে অনেক করদাতার মধ্যেই এখনো নানা প্রশ্ন রয়েছে। শুধু রিটার্ন জমা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; সঠিক তথ্য, প্রয়োজনীয় দলিল এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে রিটার্ন দাখিল করাও গুরুত্বপূর্ণ।

আয়কর আইনে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা, অনলাইন ও পেপার রিটার্ন, বিলম্বে দাখিল, সংশোধিত রিটার্ন এবং অসম্পূর্ণ রিটার্নের বিষয়ে আলাদা বিধান রয়েছে। ফলে রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে নিজের ক্ষেত্রে কোন নিয়ম প্রযোজ্য, তা জানা জরুরি।

মনে রাখুন: রিটার্ন জমা দেওয়ার পর প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাওয়া গেলেই সব ক্ষেত্রে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ রিটার্ন হিসেবে ধরা হয় না। প্রয়োজনীয় তথ্য বা দলিলের ঘাটতি থাকলে পরবর্তীতে তা পূরণের নির্দেশ আসতে পারে।

কোন পরিস্থিতিতে আয়কর রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক

আয়কর আইনের ১৬৬ ধারায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষের আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করলে তাকে রিটার্ন দিতে হবে।

তবে শুধু করযোগ্য আয় থাকাই রিটার্ন দেওয়ার একমাত্র কারণ নয়। আগের তিন বছরের মধ্যে কোনো বছরে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে।

কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আয়ের পরিমাণ বিবেচনা না করেও রিটার্ন দিতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে:

  • কোম্পানি
  • কোম্পানির অংশীদার-পরিচালক বা অংশীদার-কর্মচারী
  • ফার্ম ও ফার্মের অংশীদার
  • ব্যক্তিসংঘ
  • ব্যবসায় নির্বাহী বা ব্যবস্থাপকের পদে থাকা কর্মচারী
  • গণকর্মচারী
  • বাংলাদেশে স্থায়ী স্থাপনা থাকা অনিবাসী ব্যক্তি

এ ছাড়া কর অব্যাহতি বা হ্রাসকৃত করহারের সুবিধা পাওয়া কোনো আয়ের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে। করদাতা হিসেবে নিবন্ধনযোগ্য ব্যক্তি এবং যাদের নির্দিষ্ট কাজে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখাতে হয়, তারাও সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতায় পড়তে পারেন।

কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের রিটার্নের বাধ্যবাধকতা নেই

আইনে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলা মাধ্যমে পরিচালিত কিছু প্রাথমিক ও প্রাক্-প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডসহ নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান অব্যাহতির তালিকায় থাকতে পারে।

সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম না থাকা কিছু আইনগত সংস্থা, কমিশন, বোর্ড, একাডেমি বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানও নির্দিষ্ট শর্তে এই সুবিধা পেতে পারে। এতিমখানা, অনাথ আশ্রম ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কিছু প্রতিষ্ঠান এবং গেজেটের মাধ্যমে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরাও এর আওতায় থাকতে পারেন।

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের নিয়ম কী

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী স্বাভাবিক ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পেপার রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে।

৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক নির্দিষ্ট শর্তে পেপার রিটার্ন দিতে পারেন।

ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধনসংক্রান্ত সমস্যার কারণে অন্য কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে পেপার রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

শুধু ফরম পূরণ করলেই হবে না

অন্যান্য শ্রেণির করদাতাদের নির্ধারিত ফরমে রিটার্ন দিতে হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী তফসিল, বিবৃতি, হিসাব, পরিশিষ্ট এবং অন্যান্য দলিলও জমা দিতে হতে পারে।

নিরীক্ষিত আয় বিবরণী ও আর্থিক বিবরণী জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকা করদাতাদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, আয় পরিগণনাপত্র এবং উৎসে করের রিটার্নের প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তি স্বীকারপত্রও প্রয়োজন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক লেনদেন থাকা সত্তার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক লেনদেনের নির্ধারিত বিবরণীও রিটার্নের সঙ্গে জমা দিতে হতে পারে।

বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা কীভাবে রিটার্ন দেবেন

অনিবাসী বাংলাদেশি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নিকটস্থ বাংলাদেশ মিশনে কর পরিশোধের প্রমাণসহ রিটার্ন জমা দিতে পারেন। সংশ্লিষ্ট মিশন প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রসহ রিটার্নটি বোর্ডে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারে।

রিটার্নে কার স্বাক্ষর প্রয়োজন

স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা সাধারণত নিজের রিটার্নে নিজেই স্বাক্ষর করবেন। তবে করদাতা বাংলাদেশে না থাকলে বা আইনগত কারণে নিজে স্বাক্ষর করতে অসমর্থ হলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনগত প্রতিনিধি স্বাক্ষর করতে পারেন।

হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের ক্ষেত্রে সাধারণত পরিবারের কর্তা রিটার্নে স্বাক্ষর করেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যও নির্দিষ্ট নিয়মে স্বাক্ষর করতে পারেন।

কোম্পানি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মুখ্য কর্মকর্তা এবং ফার্মের ক্ষেত্রে উপযুক্ত অংশীদার রিটার্নে স্বাক্ষর করতে পারেন। অন্যান্য সত্তার ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বাক্ষর করবেন।

কখন কর কর্তৃপক্ষ রিটার্ন দেওয়ার নোটিশ দিতে পারে

নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে উপ-কর কমিশনার করদাতাকে রিটার্ন দাখিলের জন্য নোটিশ দিতে পারেন। রিটার্ন অসম্পূর্ণ হওয়া, ব্যবসা বন্ধ হওয়া বা মালিকানা পরিবর্তনের সম্ভাবনা, কোনো ব্যক্তির বাংলাদেশ ত্যাগের সম্ভাবনা কিংবা রিটার্ন দাখিল না করার মতো পরিস্থিতিতে এ ধরনের নির্দেশ আসতে পারে।

এ ছাড়া অংশীদারি ফার্মের গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন, নতুন উত্তরসূরি ফার্ম তৈরি অথবা অন্যের ব্যবসার উত্তরাধিকারী হওয়ার মতো পরিস্থিতিতেও নির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী রিটার্ন চাওয়া হতে পারে।

সময়মতো রিটার্ন দিলে করের ক্ষেত্রে কী সুবিধা আছে

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৭০ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতার জন্য নির্দিষ্ট কর প্রণোদনার ব্যবস্থা রয়েছে।

রিটার্ন দাখিলের সময় প্রযোজ্য বিধান
১ জুলাই – ৩০ সেপ্টেম্বর পরিশোধযোগ্য করের ৫% কর প্রণোদনা, সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা
১ অক্টোবর – ৩১ ডিসেম্বর কর প্রণোদনা প্রযোজ্য নয়
১ জানুয়ারি – ৩১ মার্চ পরিশোধযোগ্য করের ২% অথবা ৩,০০০ টাকা—যেটি বেশি
১ এপ্রিল – ৩০ জুন পরিশোধযোগ্য করের ৫% অথবা ৫,০০০ টাকা—যেটি বেশি

আয়কর রিটার্নের নিয়মগুলো ভিডিওতে দেখুন

▶ ভিডিওটি দেখুন

দেরিতে রিটার্ন দিলে বাড়তি কর দিতে হতে পারে

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে সেটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বিলম্ব রিটার্ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মূল করের পাশাপাশি অতিরিক্ত করের বিধান রয়েছে।

স্বপ্রণোদিতভাবে বিলম্ব রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য করের ১০ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি—অতিরিক্ত কর হিসেবে দিতে হতে পারে।

করবর্ষ শেষ হওয়ার পর নোটিশের ভিত্তিতে বিলম্ব রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর হিসেবে পরিশোধযোগ্য করের ১৫ শতাংশ অথবা ১০ হাজার টাকা—যেটি বেশি—প্রযোজ্য হতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে বিলম্বে রিটার্ন দেওয়ার কারণে নির্দিষ্ট কর অব্যাহতির সুবিধাও আর পাওয়া নাও যেতে পারে। ফলে দেরি করলে আর্থিক দায় শুধু অতিরিক্ত করের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে।

রিটার্নে ভুল থাকলে কীভাবে সংশোধন করবেন

রিটার্ন জমা দেওয়ার পর কোনো ভুল ধরা পড়লে নির্দিষ্ট শর্তে সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করা যায়। আয়কর আইনের ১৭৫ ধারায় এ বিষয়ে বিধান রয়েছে।

স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি হওয়া রিটার্নে ত্রুটি ধরা পড়া কিংবা আইনে উল্লেখিত অন্যান্য পরিস্থিতিতে সংশোধিত রিটার্নের সুযোগ প্রযোজ্য হতে পারে।

মূল রিটার্ন দাখিলের তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে সংশোধিত রিটার্ন দাখিল করার বিধান রয়েছে। সংশোধিত রিটার্ন দেওয়ার সময় বা তার আগে প্রযোজ্য কর পরিশোধ করতে হয়।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: সংশোধিত রিটার্ন ব্যবহার করে মূল রিটার্নে দেখানো কর-দায় কমানো যাবে না। একইভাবে দালিলিক প্রমাণ ছাড়া আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয়ের তথ্য পরিবর্তনের সুযোগও সীমাহীন নয়।

অসম্পূর্ণ রিটার্ন জমা দিলে কী সমস্যা হতে পারে

রিটার্ন দাখিলের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য, দলিল, বিবৃতি বা বোর্ডের নির্দেশনা অনুসরণ না করলে রিটার্নটি অসম্পূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে উপ-কর কমিশনার প্রয়োজনীয় ঘাটতি পূরণের জন্য নোটিশ দিতে পারেন। নোটিশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাওয়া তথ্য বা দলিল জমা দেওয়া প্রয়োজন।

করদাতা নোটিশের নির্দেশনা পূরণ না করলে নির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী রিটার্ন বাতিল বা অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নতুন করে রিটার্ন দাখিলের নির্দেশও আসতে পারে।

অন্যদিকে, নোটিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঘাটতি পূরণ করলে নির্দিষ্ট শর্তে রিটার্নটি মূল দাখিলের তারিখ থেকেই সম্পূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পেলেই কি সব দায়িত্ব শেষ?

সবসময় নয়। রিটার্ন গ্রহণের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাওয়া এবং রিটার্নটি আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ হওয়া—দুটি আলাদা বিষয়।

রিটার্নের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য বা দলিলের ঘাটতি থাকলে পরবর্তীতে কর কর্তৃপক্ষ তা পূরণের নির্দেশ দিতে পারে। তাই শুধু রিটার্ন জমা দেওয়ার পরিবর্তে শুরু থেকেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য সঠিকভাবে প্রস্তুত করা গুরুত্বপূর্ণ।

করদাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ করণীয়

আয়কর রিটার্ন দাখিলের আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করা উচিত।

  • আপনার রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক কি না যাচাই করুন।
  • প্রযোজ্য সঠিক ফরম ব্যবহার করুন।
  • আয়, সম্পদ, দায় ও ব্যয়ের তথ্য সঠিকভাবে প্রস্তুত করুন।
  • প্রয়োজনীয় তফসিল ও দলিলপত্র সংযুক্ত করুন।
  • নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করুন।
  • ভুল থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধনের ব্যবস্থা নিন।
  • কর কর্তৃপক্ষের কোনো নোটিশ এলে সেটি উপেক্ষা করবেন না।
  • নোটিশে চাওয়া তথ্য ও দলিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিন।

কর সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ প্রয়োজন?

প্রয়োজনীয় পরামর্শ বা সেবা নিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারেন।

📅 অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন

শেষ কথা

আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে শুধু সময়মতো ফরম জমা দিলেই হবে না। সঠিক তথ্য, প্রয়োজনীয় দলিল এবং প্রযোজ্য নিয়ম অনুসরণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

দেরিতে রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত করের দায় তৈরি হতে পারে। আবার ভুল রিটার্নের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় ও শর্ত মেনে সংশোধনের সুযোগ থাকলেও সেই সুযোগেরও সীমা রয়েছে।

তাই রিটার্ন দাখিলের আগে নিজের করদাতা হিসেবে অবস্থান, প্রয়োজনীয় ফরম, আয়-সম্পদ-দায় এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

তথ্যসূত্র ও নোট

এই প্রতিবেদনটি ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সরবরাহকৃত The Daily Star Bangla প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে নতুন ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। মূল প্রতিবেদনে আয়কর আইন, ২০২৩-এর বিভিন্ন ধারা ও রিটার্ন দাখিলসংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

নোট: কর আইন ও NBR-এর নির্দেশনা পরিবর্তিত হতে পারে। ব্যক্তিগত কর পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য সর্বশেষ বিধান যাচাই করা উচিত।

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত করসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রযোজ্য আইন, NBR-এর সর্বশেষ নির্দেশনা এবং প্রয়োজন হলে কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ যাচাই করুন।

What do you feel about this post?

0%
like

Like

0%
love

Love

0%
happy

Happy

0%
haha

Haha

0%
sad

Sad

0%
angry

Angry

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *